কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬ এ ১২:৫৩ AM
কন্টেন্ট: পাতা
জীবনের অনিবার্য চলমানতা ও প্রকৃতির অপার মমতায় বিনির্মিত খরস্রোতা বলেশ্বরবিধৌত উর্বর পললভূমির অত্যুজ্জ্বল পিরোজপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র পাড়েরহাট রোডে অবস্থিত দক্ষিণ বাংলার নারী শিক্ষার তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজ। ‘ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড়’ হিসেবে কলেজটি ১৯৭৯ সালের এক শুভক্ষণে এ প্রকৃতির কোলে প্রতিষ্ঠালাভ করে পিরোজপুরের কয়েকজন ক্ষণজন্মা বিদ্যোৎসাহী কৃতি ব্যক্তির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। খুব কম সময়ের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠার ৬ষ্ঠ বছরে ১ জুলাই ১৯৮৫ সালে কলেজটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই প্রতিষ্ঠানটি পিরোজপুর তথা দক্ষিণ বাংলার নারী শিক্ষা বিস্তারে গুরুদায়িত্ব বহন করে আসছে। কলেজের অধ্যক্ষ ও চৌকষ অধ্যাপকবৃন্দের সময়োপযোগী ও প্রগতিশীল সঠিক দিক নির্দেশনা, সম্মানিত অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং ছাত্রীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ কলেজটি তার অভাবনীয় সাফল্যে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে প্রতি বছর সেরা দশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঈর্ষণীয় অংশীদার হিসেবে স্থান করে নেয়। কলেজটি শিক্ষা, সংস্কৃতি, জ্ঞান ও বিবেক আবাদের স্বীকৃতিস্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ২০০৩ সালে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কলেজ পর্যায়) হিসেবে পুরস্কার লাভ করে। কলেজের ধারাবাহিক এ সাফল্য ধরে রাখতে কলেজের অধ্যক্ষ-শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ ও কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, টিউটোরিয়াল, অর্ধ-বার্ষিক, বার্ষিক, প্রাক-নির্বাচনি, নির্বাচনি ও নমুনা মানযাচাইসহ (মডেল টেস্ট) সকল পরীক্ষা গ্রহণ ছাড়াও কলেজটি শিক্ষা, সংস্কৃতি, মনুষ্যত্ব ও সৃজনশীলতা বিকাশে এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষক সম্পর্ক বিনির্মাণে একটি অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুধী মহলে ইতোমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ মনে করে এ সুনাম পিরোজপুর তথা সমগ্র বাংলাদেশের।